দোয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দোয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার

রাগ কমানোর আমল । rag komanor amol । রাগ কমানোর উপায় ।

রাগ কমানোর আমল । rag komanor amol । রাগ কমানোর উপায় ।

 #রাগ কমানোর উপায়-

রাগ কমানোর আমল

আপনার সব খাবারে নিয়মিত সাত বার বিসমিল্লাহ পড়ে ফুঁ দিয়ে খাবেন আপু।
আর কুরআন-হাদিসে রাগ নিয়ন্ত্রণ করার অনেক পথ বর্ণিত আছে, তা থেকে সংক্ষেপে কিছু বর্ণনা করা হলো-
ফলো করবেন আপু।
# এক . রাসূল আলাইহিস সালাম বলেন, ‘যখন তোমাদের কারো রাগ আসে, তখন সে দাঁড়িয়ে থাকলে যেন বসে পড়ে। তাতে যদি রাগ দমে না যায় তাহলে সে যেন শুয়ে পড়ে।’ (তিরমিজি)। রাগের গতি হলো ওপরের দিকে। তাই বলা হচ্ছে- রাগ দমন করার জন্য গতি নিচের দিকে করে দাও ।
# দুই. রাসূল আলাইহিস সালাম বলেন, ‘রাগ আসে শয়তানের পক্ষ থেকে, শয়তানকে তৈরি করা হয়েছে আগুন থেকে। আগুন নির্বাপিত হয় ঠাণ্ডা পানি দ্বারা। ঠাণ্ডা পানি পান করলে রাগের কারণে রক্তে যে উষ্ণতা সৃষ্টি হয় সেই উষ্ণ ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। এভাবে রাগ পড়ে যাবে। (আবু দাউদ)।
রাগ উঠলেই অজু করবেন সাথে সাথে।
# তিন. রাগের মধ্যে শয়তানের ওয়াসওয়াসার দখল থাকে। প্রকৃতপক্ষে এ রাগ শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। তা বের করার জন্য আউজু বিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজিম পড়ো। এ জন্য আল্লাহপাক বলেন, ‘যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো উসকানি তোমাকে পায় তাহলে আউজু বিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজিম পড়ো।’ (হা-মিম সাজদা-৩৬)।
# চার. যখন রাগ হয় তখন মনে করবেনন। আমার সৃষ্টিকর্তা আমার চেয়ে অনেক অনেক বড়। তিনি আমার প্রতি রাগ হলে আমার কী উপায় হবে? অতএব আমি তাকে ক্ষমা করতে না পারলে সৃষ্টিকর্তাও আমাকে ক্ষমা করবেন না। আমার রাগ হজম করে তাকে ক্ষমা করে দিলে আল্লাহও আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। এভাবে রাগ নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। আল্লাহ বলেন, ‘মনে রাখবে অবশ্যই আল্লাহ সুমহান, সমুচ্চ অনেক বড়।’ (সূরা নিসা-৩৪)।
#লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ এটা শয়তান তাড়ানোর দোয়া ।যেহেতু রাগ শয়তানের কুমন্ত্রণার প্রভাবেই হয়ে থাকে তাই এই দোয়াটি রাগ নিবারণের জন্য খুবই কার্যকরী।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের শয়তানের প্রভাব হতো হেফাযত করুন।
((আমীন))


ট্যাগ :

rag komanor amol
স্বামীর রাগ কমানোর আমল
অন্যের রাগ কমানোর আমল
রাগ কমানোর দোয়া
রাগ কন্ট্রোল করার দোয়া
রাগ ভাঙ্গানোর দোয়া
অন্যের রাগ কমানোর দোয়া
রাগ নিয়ন্ত্রণ করার দোয়া




বৃহস্পতিবার

কারও বাসায় বা ঘরে প্রবেশের নিয়ম : বাসায় প্রবেশ করার দোয়া ও নিয়ম

কারও বাসায় বা ঘরে প্রবেশের নিয়ম : বাসায় প্রবেশ করার দোয়া ও নিয়ম

কারও বাসায় বা ঘরে প্রবেশের নিয়মঃ
==========================

১. দরজায় দাঁড়িয়ে তিনবার সালাম দিবে। [সহিহ মুসলিম-৫৪৪৩, মুয়াত্তা মালিক-১৭৩৯]

২. সালাম দেয়ার সময় মুখ দড়জার দিকে রাখা যাবে না। ডানে বা বামে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। [আদাবুল মুফরাদ-১০৮৮]
৩. দড়জার ফাঁক দিয়ে ভেতরে দেখার চেষ্টা করা যাবে না। [আদাবুল মুফরাদ-১১০১

৪. প্রথম সালাম হচ্ছে আগমনের জন্য, দ্বিতীয় সালাম ঘরে প্রবেশের অনুমতির জন্য এবং তৃতীয় সালাম ফিরে যাওয়ার ইংগিত হিসাবে গণ্য হয়। [মিশকাত-২০৮]

৫. তিন বারের বেশী অনুমতি চাওয়া রাসুল (সাঃ) এর সুন্নাতের খেলাফ। [সহিহ মুসলিম-৫৪৪৩, মুয়াত্তা মালিক-১৭৩৯]

৬. তৃতীয় সালামের পর দড়জা না খুললে আগন্তুক প্রস্থান করবে। ধরে নিতে হবে ঘরে কেউ নেই অথবা তাকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি অথবা সশব্দে সালামের জবাব দেয়ার মতো পুরুষ মানুষ ঘরে নেই। [সহিহ মুসলিম-৫৪৪৩, মুয়াত্তা মালিক-১৭৩৯]

৭. ঘরে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়া গেলে কোনক্রমেই ঘরে প্রবেশ করা যাবে না। [সূরা নূর-২৪/২৮, মুয়াত্তা মালিক-১৭৩৯]
৮. অন্ধ্য ব্যক্তির জন্যও ঘরে প্রবেশের অনুমতি লাগবে। কারণ সে চোখে দেখতে না পেলেও কানে শুনতে পায়।
৯. যাদেরকে বিবাহ করা হারাম (যেমন মা, খালা, ফুফু, দাদী, নানী, কন্যা ইত্যাদি) তাদের রুমে প্রবেশের পূর্বেও অনুমতি নিতে হবে। একই বাড়ীতে বসবাস করলেও। [সূরা নূর-৫৯, মুয়াত্তা মালিক-১৭৩৮, আদাবুল মুফরাদ-১০৬৯, ১০৭৩]
১০. নখ দিয়ে খটখট করে শব্দ করাও অনুমতি চাওয়া বুঝায়। [আদাবুল মুফরাদ-১০৯০] [অনুমতি পাওয়ার পর অবশ্যই সালাম দিয়ে ঘরে প্রবেশ করতে হবে]
১১. ভেতর থেকে “কে?” জিজ্ঞেস করা হলে উত্তরে “আমি” না বলে নিজের পরিচয় দেয়া উচিৎ। [আদাবুল মুফরাদ-১০৯৬]

মহান আল্লাহ আমাদেরকে রাসুল (সাঃ) এর সুন্নাতের উপর আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

ইসলামের দাওয়াত