সোমবার
বিয়ের জন্য আমল । ভাল বিয়ের আমল ২০২২
::::বিয়ের জন্য আমল ::::
বিয়ের আমল ২০২২
ভাল বিয়ের আমল ২০২২
ভাল বিয়ের আমল ২০২২
বিয়ে ঠেকানোর আমল
বিয়ে করার আমল
বিয়ের জন্য আমল
বিয়ে করার দোয়া
বিয়ে হবার আমল
কাউকে বিয়ে করার আমল
প্রেমিকাকে বিয়ে করার আমল
বৃহস্পতিবার
শুক্রবারে সূরা কাহাফ পড়ার যে ফযীলত সহীহ হাদীসে বর্ণ
#শুক্রবারে সূরা কাহাফ পড়ার যে ফযীলত সহীহ হাদীসে বর্ণ
তা হলো-
🌷আবু সাঈদ খুদরী (রা.) বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়বে তার জন্য এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত আলো বিচ্ছুরিত হবে।
( মুসতাদারেক হাকিম: ২/৩৯৯, বায়হাকী: ৩/২৪৯, ফয়জুল ক্বাদীর: ৬/১৯৮)
🌷ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি শুক্রবার দিন সূরা কাহফ পাঠ করবে তার পা থেকে আকাশের উচ্চতা পর্যন্ত নূর হয়ে যাবে, যা কেয়ামতের দিন আলো দিবে এবং বিগত জুমা থেকে এ জুমা পর্যন্ত তার সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। (আত তারগীব ওয়া তারহীব: ১/২৯৮)
🌷দশ আয়াত পড়ার বা মুখস্ত করার আলাদা ফযীলত রয়েছে।* যেমন,
আবূ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দিক থেকে দশটি আয়াত মুখস্ত করবে,সে দাজ্জালের(ফিৎনা) থেকে পরিত্রান পাবে।’’
আসুন আমরা সুরা কাহাফ পড়ে এর ফজিলত হাসিল করি।
নেক সন্তান লাভের আমল? | কি করলে নেক সন্তান লাভ করা যায়? | সন্তান লাভের দোয়া - দ্বীনের সেবা
#নেক সন্তান লাভের আমল
সন্তান লাভের আমলঃ
কিছু দুয়া উল্লেখ করা হয়েছে, সন্তান লাভের জন্যে নবীগণ যে দুয়া করেছিলেন। এই দুয়াগুলো স্রেফ সন্তান লাভের জন্যে নয়, সন্তান গর্ভে আসার পরেও করা উচিত। যাতে সুস্থ ও সুসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। দুয়াগুলো পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ তায়ালা উল্লেখ করেছেন।
.
(১)رَبِّ اجْعَلْنِىْ مُقِيْمَ الصَّلٰوةِ وَمِنْ ذُرِّيَّتِى, رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَآء
.
.
#অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া।
[ইবরাহীম ১৪:৪০ ]
.
(২)
رَبَّنَا هَبْ لَـنَا مِنْ اَزْوَاجِنَا وَذُرِّيّٰتِنَا قُرَّةَ اَعْيُنٍ وَّاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِيْنَ اِمَامًا
.
#অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দাও।
[আল-ফুরক়ান ২৫:৭৪]
.
**এদুটি দুয়া সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরেও করা উচিত।
(৩)
رَبِّ هَبْ لِىْ مِنْ لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةًۚ اِنَّكَ سَمِيْعُ الدُّعَآءِ
.
যাকারিয়া তাঁর পালনকর্তার নিকট প্রার্থনা করলেন। বললেন,
অর্থ: হে, আমার পালনকর্তা! আপনার পক্ষ থেকে আমাকে পুত-পবিত্র সন্তান দান করুন। -নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী।
[আল ‘ইমরান ৩:৩৮]
.
(৪)
ٗ رَبِّ لَا تَذَرْنِىْ فَرْدًا وَّاَنْتَ خَيْرُ الْوٰرِثِيْنَ ۖۚ
.
.
#অর্থ: হে আমার পালনকর্তা আমাকে নিঃসন্তান রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস।
[আল-আম্বিয়া ২১:৮৯]
.
যাকারিয়া আ. এই দুয়া করেছিলেন, এরপর আল্লাহ তায়ালা বলেন, "তখন আমি তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম আর তাকে দান করেছিলাম ইয়াহইয়া, আমি তার নিমিত্তে তার স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব দূর করে দিয়েছিলাম। এরা সৎ কাজে ছিল ক্ষিপ্রগতি, তারা আমাকে ডাকতো আশা নিয়ে ও ভীত হয়ে, আর তারা ছিল আমার প্রতি বিনয়ী।"
[আল-আম্বিয়া ২১:৯০]
.
(৫)
رَبِّ هَبْ لِىْ مِنَ الصّٰلِحِيْنَ
.
.
#অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমাকে সৎকর্মশীল পুত্র সন্তান দান করুন।
[আস-সাফফাত ৩৭:১০০]
#আর সহবাসের পূর্বে এই দোআ পড়া
بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
[আল্লাহ্র নামে। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আমাদেরকে আপনি যে সন্তান দান করবেন তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন।]
.
.
এগুলো মুখস্ত করে অথবা দেখে দেখে প্রায়ই পড়া উচিত। শুধু বাচ্চার মা পড়বেন, তা নয়। বাচ্চার বাবারও পড়া উচিত। ফরজ নামাজের পর দুয়া কবুল হয়, তখন এই দুয়াগুলো করতে পারেন। এছাড়া, তাহাজ্জুদ পড়ে এই দুয়া করা যেতে পারে।
.
এছাড়াও সন্তান গর্ভে থাকাকালীন
আপুদের উচিত বেশী বেশী
কোরআনুল
কারীম তিলাওয়াত করা, নিয়মিত
নামায।
বাচ্চা নেককার হতে মায়ের নেক কার হওয়া জরুরি।
বাচ্চা পেটে আসলে মেইন হলো গুনাহ হতে বিরত থাকার চেষ্টা করা।
৫ ওয়াক্ত নামাজ ধীরে সুস্থে সুন্দর ভাবে পড়তে হবে।
খাস পর্দা করতে হবে ঠিক ভাবে।
প্রতিদিন একটি বড় সুরা তিলাওয়াত করা উচিত হবে।
মানুষ এর সাথে আচার আচরণ সুন্দর হতে হবে।
গান শুনা, টিভি দেখা ইত্যাদি গুনাহ ছাড়তে হবে।
এবং নেক সন্তানের জন্য আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করতে হবে।
এসময়ে
মায়েরা যে কাজগুলো করে থাকেন,
সন্তানের আচরণের উপর তার প্রভাব
পড়ে।
এ সময়ে পরনিন্দা-পরচর্চা করা, ঝগড়া
করা,
গালা-গালি করা ও অন্যান্য মন্দ কাজ
থেকে বিরত থাকা বাঞ্চনীয়।
দো'আ করি, আল্লাহ্ যেন সকল মা
বাবাকে নেককার সন্তান দান করেন।
"আমীন"
keyword :
নেক সন্তান লাভের আমল
সুস্থ সন্তান লাভের আমল
পুত্র সন্তান লাভের আমল
সন্তান লাভের নামাজ
সন্তান কামনায় দোয়া
সন্তান লাভের তাবিজ
কন্যা সন্তান লাভের দোয়া
সন্তান লাভের তদবির
♥ বিয়ের জন্য আমলঃ দ্রুত বিয়ের জন্যে কিছু আমল দেওয়া হলোঃ | কি আমল করলে বিয়ে দ্রুত হয়?
♥ বিয়ের জন্য আমল ::::♥
#দ্রুত বিয়ের জন্যে কিছু আমল দেওয়া হলো:::
- এস্তেগফার করা। যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক
এস্তেগফার করা।
- তারপর সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পড়তে
পারেন। ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻫَﺐْ ﻟَﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﺃَﺯْﻭَﺍﺟِﻨَﺎ ﻭَﺫُﺭِّﻳَّﺎﺗِﻦَﺍ ﻗُﺮَّﺓَ ﺃَﻋْﻴُﻦٍ
ﻭَﺍﺟْﻌَﻠْﻨَﺎ ﻟِﻠْﻤُﺘَّﻘِﻴﻦَ ﺇِﻣَﺎﻣًﺎ
অনেকে বলেন ফরজ নামাজের পর পড়তে।
কারণ হাদিসের ভাষ্যমতে, ফরজ নামাজের পর দুয়া
কবুল হয়। আর এটাও একটা দুয়া!! (তিরমিযি -৩৪৯৯ হাসান)
- বেশি বেশি দুয়া করা। বিশেষ করে দুয়া কবুলের
মুহুর্তগুলো একটাও বাদ দেয়া উচিত না।
- আমলের পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্রের সন্ধান ও
চেষ্টা করতে হবে।
২- বাংলাদেশের সমাজের যেসব ফেতনা রয়েছে,
তার মধ্যে অন্যতম 'জাদু/সিহর' এর চর্চা। এমন
অনেককেই দেখা যায়, যাদেরকে জাদু করে
আটকে রাখা হয়। বয়স হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বিয়ের
প্রস্তাব আসছে না। অথবা প্রস্তাব আসলেও
অজ্ঞাত কারণে ফিরে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে, যারা
সহীহভাবে রুকইয়া করেন তাদের শরণাপন্ন হওয়া
ভালো। পাশাপাশি নিজেও বিভিন্ন রুকইয়ার আমল করতে পারেন।
#ভালো হয়, কিছু টাকা সদকা করে
দিলে। হাদিসে সদকার অনেক ফাজায়েল বলা
হয়েছে। তারমধ্যে একটি হচ্ছে, সদকা দ্বারা
বিপদাপদ দূর হয়। (ইবনে হিব্বান- ৩৩০৯)
পাশাপাশি এই দোয়া করা যাবে, হে আল্লাহ এমন একজন কে স্বামী হিসেবে মিলিয়ে দিন যার সাথে সংসারী হলে দুনিয়া আখেরাতের কল্যাণ হয়।
keyword :
বিয়ের জন্য দোয়া
বিয়ে হওয়ার টোটকা
তারাতারি বিয়ের দোয়া
বিয়ের তদবির
কি করলে,তাড়াতাড়ি বিয়ে হবে।
দ্রুত বিবাহ হওয়ার দোয়া
বিবাহ হওয়ার
কোন দোয়া পড়লে বিবাহ তাড়াতাড়ি হয়
#দ্বিতীয় আমলঃ
বিয়ে করা যুবক-যুবতীদের জন্য ক্ষেত্র ভেদে ফরজ আবার কখনো সুন্নত। কিন্তু দ্রুত বিয়ে করে নেয়াই ভালো। অনেকের বয়স অতিক্রম হয়ে যায়, তারপরও বিয়ে হয় না। তাদের জন্য নিম্নের আমলটি দেয়া হলো;
যেসব যুবক-যুবতীদের বিবাহের বয়স অতিক্রম হয়ে যাচ্ছে কিন্তু বিয়ে হচ্ছে না, তাদের মধ্যে যুবকেরা ডান হাত দিয়ে বাম হাতের কব্জি চেপে ধরে এবং যুবতীরা বাম হাত দিয়ে দান হাতের কব্জি চেপে ধরে প্রত্যহ ফজরের নামাজের পর সূর্যোদয়ের আগে ৪০ বার হিসাবে ৪০ দিন পর্যন্ত ইয়া ফাত্তাহু (الفتاح) অর্থ হে উন্মুক্তকারী বা প্রস্তুকারী পড়বেন।
ইয়া ফাত্তাহু (الفتاح) আল্লাহর একটি পবিত্র নাম। বিয়ে ছাড়াও আল্লাহ তাআলার এই পবিত্র নাম ফজরের নামাজের পর দুই হাত বুকের উপর রেখে ৭১ বার পাঠ করলে অভাব দূর হবে,মনোবল বৃদ্ধি পাবে এবং সকল কাজ সহজ হবে ইনশাল্লাহ।
রিজিক বৃদ্ধির আমল। রিজিক বৃদ্ধি করার ৫ টি আমলঃ
আস সালামু আলাইকুম
#রিযিক বৃদ্ধির আমল
কিভাবে রিজিক বৃদ্ধি করা যায় ?
রিযিক নিয়ে চিন্তিত? হতাসা হচ্ছে? সুন্নাতি আমলে রিযিক বরকতময় করার উপায় :
সমাধানের জন্য আমল করতে পারেন।
কয়েকটি আমল লিখে দিচ্ছি, ইনশাআল্লাহ আমল করার দ্বারা ফল হতে পারে।
১প্রতি নামাযের পর বেশি বেশি করে পড়ুন “রাব্বানা আতিনা ফিদ দুনিয়া হাছানাতাও ওয়াফিল আখিরাতি হাছানাতাও ওয়াকিনা আজাবান্নার”।
২
প্রত্যেক নামাযের পর “ইয়া লতীফু” একশত বার পড়বে। একবার الله لطيف بعباده يرزق من يشاء وهو القوى العزيز –আল্লাহু লতীফুন বি’য়িবাদিহী ইয়ারযুক্বু মাইয়্যাশা..উ ওয়াহুয়াল ক্বওয়্যিুল আযীয] পড়বে।
রিজিকে বরকত হবে ইনশাআল্লাহ।
৩
ফজর ও মাগরিবের নামাযের পর একশত বার “ইয়া লতীফু” পড়ে নিম্মোক্ত দুআ পড়বে
اللهم وسع على رزقى اللهم عطف على خلفك كما صنت وجهى عن السجود لغيرك فصنه عن ذل السوال لغيرك برحمتك يا ارحم الراحمين
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ওয়াছছি’ আলা রিজক্বী, আল্লাহুম্মা আত্ত্বিফ আলা খালফাকা কামা.. ছুনতা ওয়াজহী আনিছ ছুজূদি লিগাইরিকা ফাছুনহু আনিছ ছুআলি বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহেমীন।
৫
যে ব্যক্তি নিম্মোক্ত দুআ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর পড়বে। বিশেষ করে জুমআর নামাযের পর, সে সব প্রকার পেরেশানী, বিপদ-আপদ থেকে নিরাপত থাকবে ইনশাআল্লাহ। দুশমনের দুশমনি থেকে হেফাযত থাকবে ইনশাআল্লাহ। আর এ দুআর ফলে আল্লাহ তাআলা তাকে এমন স্থান থেকে রিযিক দিবেন যার সে কল্পনাও করেনি। এমন পরিমাণ রিযিক দিবেন, যার সে আশাও করেনি ইনশাআল্লাহ।
নিয়মিত উক্ত দুআ পড়লে ঋণ আদায় হয় ইনশাআল্লাহ।
দুআটি হল,
يا الله يا أحد يا واحد يا موجود يا جواد يا باسط يا كريم يا وهاب يا ذا القوة يا غنى يا مغنى يا فتاح يا رزاق يا عليم يا حكيم يا حى يا قيوم يا رحمن يا رحيم يا بديع السموات و الأرض يا ذا الجلال و الأكرام يا حنان يا منان انفحن منك بنفحة خير تغنينى بها عمن سواك ان تستفتحوا فقد جاءكم الفتح“ انا فتحنا لك فتحا مبنا“ نصر من الله و فتح قريب“ اللهم يا غنى يا حميد يا مبدىء يا معيد يا ودود يا ذا العرش المجيد يا فعال لما يريد اكفنى بحلالك عن حرامك و أغننى بفضلك عمن سواك و احفظنى بما حفظت به الذكر و انصرنى بما نصرت به الرسل انك على كل شىء قدير
বাংলা উচ্চারণঃ ইয়া আল্লাহু, ইয়া আহাদু, ইয়া ওয়া..হিদু, ইয়া মওজূদু, ইয়া যাওয়াদু, ইয়া বাছিতু, ইয়া কারীমু, ইয়া ওয়াহহাবু, ইয়া জাতত্বয়ীলু, ইয়া গনিয়্যু, ইয়া মুগনিয়ু, ইয়া ফাত্তাহু, ইয়া রাজ্জাকু, ইয়া আলীমু, ইয়া হাকীমু, ইয়া হাইয়্যু, ইয়া কাইয়্যূসম ইয়া রাহমানু, ইয়া রাহীমু, ইয়া বাদীয়ুছ ছামাওয়াতি ওয়ালআরদ্বি, ইয়া জালজালালি ওয়ালইকরাম, ইয়া হান্নানু, ইয়া মান্নানু, আনফিহনী মিনকা বিনাফহাতি খাইরি, তুগনী..নীবিহা.. আম্মান ছিওয়াকা ইন তাছতাফতিহু ফাক্বাদ জাআকুমুল ফাতহু, ইন্না ফাতাহনা.. লাকা ফাতহাম মুবীনা। নাছরুম মিনাল্লাহ ওয়াফাতহুন ক্বরীব। আল্লাহুম্মা ইয়া গনিয়্যু, ইয়া হামীদু, ইয়া মুবদিয়ু, ইয়া মুয়ীদু, ইয়া ওয়াদূদু, ইয়া জালআরশিল মাজীদু, ইয়া ফাঅআলুল লিমা ইরীদু, ইকফীনী বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়াগনিনী বিফাদ্বলিকা আম্মান ছিওয়াকা, ওয়াহফাজনী বিমা হাফিজতাবিহীজি জিকরু ওয়ানছুরনী বি মা নাছারতু বিহিররাছুলু ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। [আমালিয়্যাতে কাশ্মীরী]
আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। ইনশাআল্লাহ সমস্যা দূরিভূত হবে।
যদি দূরিভূত নাও হয়, তবু আশাহত হবেন না। মুমিন আশাহত হয় না। কারণ তার সকল সুখতো আখেরাতের জন্য বরাদ্দ। এ ক্ষণকালের জীবন যেভাবেই হোক কেটে যাবে। আমাদের মূল আকাংখা হল, আখেরাত যেন সুন্দর। আখেরাতের জীবন যেন দুঃখ কষ্টহীন হয়। আরাম হয়। নসীব হয় সুখের জান্নাত। তাই হতাশ হবেন না। আল্লাহ তাআলা সহায়।
হে আল্লাহ আমাদের হালাল রিযিকের ফয়সালা করে দিন
(আমীন)
والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী
বুধবার

জান্নাত যাওয়ার সহজ মাধ্যমগুলো জেনে নিনঃ
জান্নাত যাওয়ার সহজ মাধ্যমগুলো
জেনে নিনঃ
১- প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা
শাহাদত পাঠ করুণ(আশ্হাদু আল্লা-
ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-
শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না
মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ)
এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে
কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে
পারবেন।(মুসলিম-২৩৪)
২- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে
আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে
মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে
পারবেন।(সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ
সহিহাহ-৯৭২)
৩- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩
বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার
আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু
আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা
ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা
লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)
পাঠ করুণ এতে আপনার অতীতের সব
পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে।(মুসলিম-১২
২৮) সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও
মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০
বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই
জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর
এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া
হচ্ছে।(মুসলিম, মিশকাত-১৮০৩)
৪- প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ
এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি
পেয়ে যাবেন।(সহিহ নাসাই, সহিহ
তারগিব, হাকিম-৩৮৩৯, সিলসিলাহ
সহিহাহ-১১৪০)
৫- রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০
বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন
এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল (সাঃ)-এর
সুপারিশ পাবেন।(তবরানি, সহিহ
তারগিব-৬৫৬)
৬- সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০
বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া
বিহামদিহি পরলে সৃষ্টিকুলের সমস্ত
মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া
হবে। (সহিহ আবু দাউদ-৫০৯১)
৭- সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০
বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেয়ে
বেশী সওয়াব আর কারো হবে না।
(মুসলিম-২৬৯২)
৮- সকালে ও বিকালে ১০০ বার
সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার
আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু
আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা
ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা
লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর
পাঠ করলে অগণিত সওয়াব হবে
(নাসাই,সহিহ তারগিব-৬৫১)
৯- বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা
ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা
লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল
লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া
‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)পাঠ
করুণ এতে ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০
লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ
মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে
আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা
হবে। (তিরমিজি-৩৪২৮,৩৪২৯ শাইখ
আলবানী হাদিসটিকে হাসান সহিহ
বলেছেন)
১০- বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ
করুণ এতে আল্লাহ তা’লা নিজ
জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে
প্রবেশ করাবেন। (ইবনু হিব্বান-৪৯৯,
সহিহ তারগিব-৩১৬)
১১- জামাতে ইমামের প্রথম
তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সলাত
আদায় করুন এতে আপনি নিশ্চিত
জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
(তিরমিজি, সিলসিলাহ সহিহাহ-৭৪৭,
সহিহ তারগিব-৪০৪)
১২- প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ
এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা
গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে
দান করবেন হোক সেটা অতি অল্প
এতে আপনি আল্লাহ তা’লার কাছে
জিহাদকারির সমতুল্য হবেন।
(বুখারি-৬০০৭)
১৩- মহিলারা ৪টি কাজ করবেন, ১- ৫
ওয়াক্ত সলাত ২- রমজানের সিয়াম,
৩- লযযাস্থানের হেফাজত, ৪-
স্বামীর আনুগত্য করুণ এতে
জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে
প্রবেশ করতে পারবেন। (সহিহ ইবনু
হিব্বান-৪১৬৩)
১৪- মসজিদে ফজরের সলাত আদায়
করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ
এবং সূর্য উঠে গেলে ২ +2 রাকাত ইশরাকের সলাত আদায় করুণ এতে
প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ
ও উমরার সওয়াব পাবেন।(তিরমিজি,
তারগিব-৪৬১)
(বি দ্রঃ শির্ক, বিদআত ও হারাম
ভক্ষণ থেকে দূরে না থাকলে কোন
দোয়াই কবুল হয় না)


